সুস্বাস্থ্য সমাচার


এই গরমে যদি ঠান্ডা লেগে যায়

ডা. মো. শরিফুল ইসলাম

১। নাক বন্ধ থাকলে, একটা গামলায় গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা মেনথল দিয়ে মাথা তোয়ালে দিয়ে ঢেকে সেই গরম ভাপ নাক দিয়ে টেনে নিতে পারেন।

২। প্রচুর পানি পান করুন। এ সময় বারবার গলা শুকিয়ে যায়, দেখা দেয় পানিশূন্যতা। আদা দেওয়া লেবু–চা পান করলে আরাম পাবেন। শর্ষে, রসুন, গোলমরিচ ইত্যাদি মসলাযুক্ত খাবার এ সময় আরামদায়ক।

৩। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ঠান্ডা সমস্যা অ্যালার্জি বা ভাইরাসজনিত। এতে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন নেই। প্রদাহ বা ব্যথার অস্বস্তি দূর করতে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধই যথেষ্ট। তবে জ্বর ১০৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে বা ১০ দিনের মধ্যে ভালো না হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া ভালো।


আরো জানতে সংযুক্ত পিডিএফটি দেখুন।

গরমে ত্বকের যত্ন

ডা. দিদারুল আহসান [চর্ম, যৌন ও অ্যালার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ, আল-রাজী হাসপাতাল, ঢাকা]

অনেকেরই ধারণা, বুড়ো হলেই কেবল ত্বকে ভাঁজ পড়ে, ত্বক বুড়িয়ে যায়। কথাটি পুরোপুরি সত্য নয়। অনেক সময় অল্প বয়সীদেরও ত্বক বুড়িয়ে যেতে পারে। এর কারণ সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি। এ রশ্মির জন্য ত্বক বিবর্ণ হওয়া থেকে শুরু করে ত্বকের ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। এর প্রভাবে ত্বকের কোষগুলো মরে যায়, ত্বক স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য হারায়। তাই এই তীব্র গরমে ও প্রখর রোদে ত্বকের যত্নে একটু সতর্কতার প্রয়োজন।


আরো জানতে সংযুক্ত পিডিএফ ফাইলটি দেখুন।

গরমে সুস্থ থাকতে কী খাবেন

উম্মে সালমা তামান্না, পুষ্টি বিশেষজ্ঞ, ইবনে সিনা কনসালটেশন সেন্টার, বাড্ডা

১। প্রতিদিন অন্তত ৩ লিটার পানি পান করুন।

২। চিনি ছাড়া বা কম চিনি দিয়ে ফলের শরবত, ডাবের পানি, লেবুর শরবত, স্যালাইন, গ্লকোজ গ্রহণ করুন।

৩। ভাজাপোড়া, তৈলাক্ত খাবার তীব্র গরমে খাবেন না।

৪। মাংস কম, মাছ বেশি খাবেন; সবজি খাবেন।

৫। কোমল পানীয় না খাওয়াই ভাল।

৬। চা, কফি পান করলেও দিনে ২ বারের বেশি গ্রহণ করবেন না; চা, কফি শরীরের পানি শোষণ করে পানিশূন্যতা তৈরি করে।


আরো জানতে সংযুক্ত পিডিএফ ফাইলটি দেখুন।

দাদ হলে করণীয়

ডা. আনজিরুন নাহার আসমা [সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগ, পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা]

১। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সুতি কাপড় পরিধান ও অতিরিক্ত ঘামের হাত থেকে রক্ষা পেতে ঠান্ডা বা বাতাসের চলাচল ভালো এমন পরিবেশে থাকার চেষ্টা করা

২। শরীর ঘেমে গেলে তা ধুয়েমুছে শুকানো।

৩। পরিধানের কাপড় ও অন্য ব‍্যবহার্য দ্রব‍্যাদি অন্যের সঙ্গে ভাগাভাগি না করা।

৪। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা